Search This Blog

Showing posts with label Technology. Show all posts
Showing posts with label Technology. Show all posts

ওয়ার্ডপ্রেসের পুরোনো ভার্সনে ফিরে যাওয়া

অনেক সময় অনেক এপ্লিকেশন এর  পুরোনো ভার্সন গুলো ব্যবহারের প্রয়োজন দেখা দেয় । যেমন বেশ কিছুদিন আগে যখন প্রথম  ওয়ার্ডপ্রেসের ৩.১ ভার্সন আসলো, আমি কোনো কিছু বিচার না করেই বরাবরেব মতো সেটাকে আপডেট করলাম আমার ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগে ।  দেখি অনেক কিছুই কা্জ করছেনা । পড়লাম মহা বিপদে । ওয়ার্ডপ্রেসের পুরোনো ভার্সনটা ভালই কাজ করতো । কি করা যায় কি করা যায় ! ভাবছি …
WordPress logo
WordPress logo
পরে খুজে পেলাম কিভাবে ওয়ার্ডপ্রেসের পুরোনো ভার্সনে ফিরে যাওয়া যায় । তো চলুন দেখা যাক কেমনে তা করা যায় ।
আমি এটি করেছিলাম আমার cPanel এর সাহায্য নিয়ে । cPanel আসলে hosting Control panel. এ কাজ টি করার আগে আপনি ওয়ার্ডপ্রেসের পুরোনো যে ভার্সনে ফিরে যেতে চান তা ঠিক করুন। WordPress Archives থেকে আপনি নামিয়ে নিতে পারেন আপনার প্রয়োজনিয় ভার্সনটি ।  zip ফাইল ডাউনলোড করাই ভাল । এবার আপনার cPanel থেকে যে ডিরেকটরি তে আপনার ওয়ার্ডপ্রেস ইন্স্টল করা আছে সে টি খুলুন ।  এখানে কিছু কাজ আমাদের করতে হবে । এই ডিরেকটরিতে দেখুন wp-config.php নামে একটি php ফাইল আছে । এই ফাইলটি ডাউনলোড করে রাখুন অথবা রিনেম করে রাখুন । এরপর, wp-content নামে ফোল্ডারটি রিনেম করুন । হতে পারে তা wp-content– . হযতো মনে প্রশ্ন জাগছে কেনো এদের নাম পরিবর্তন করে রাখা হচ্ছে । আসলে wp-config.php তে ডাটাবেজ এর সাথে কানেকশন দেয়া আছে আর wp-content  এ আপনার ইন্স্টল করা  থিম, প্লাগইনস, ইমেজ ইত্যাদি প্রয়োজনীয় ফাইল আছে আর আমরা সেগুলো ডিলিট করতে চাচ্ছিনা ।  ওকে , বাড়তি কাজ শেষ। এবার আপলোড করা ওয়ার্ডপ্রেস ইস্ন্টলেশন ফাইলটি আনজিপ করুন । দেখুন wordpress নামে নতুন একটি folder এসেছে । এবার এই folder টিতে ঢুকুন এবং wp-content নামের ফোল্ডার টি ডিলিট করুন। এবার Select all এ ক্লিক করে সব ফাইল সিলেক্ট করে রুট ডিরেকটরিতে (অথবা যেখানে আপনার ওয়ার্ডপ্রেস ইস্ন্টলেশন ফাইলগুলো আছে)   move করুন । কিছুক্ষন পরে wordpress  ফোল্ডারটি খালি হয়ে যাবে ।  এবার wp-content– (অথবা আপনি যে নাম দিয়েছিলেন) কে wp-content করুন। এবার ওয়ার্ডপ্রেস এডমিন এরিয়ায় ডুকতে যান । wp-config.php রিনেম করে থাকলে আবার তা wp-config.php তে ফিরিয়ে আনুন। সবকিছু ঠিক থাকলে ডাটাবেজ আপডেট চাইবে, আপডেট করুন। আশা করি এতেই কাজ হয়ে যাবে।

কম্পিউটার ভাইরাস কি এবং কিভাবে ভাইরাস তারানো যাবে



কম্পিউটার ভাইরাস কি ?

কম্পিউটার ভাইরাস হল এক ধরনের প্রোগ্রাম যা নিজে থেকেই এক কম্পিউরার থেকে অন্য কম্পিউটারে ছড়িয়ে যায় কিংবা বলা ভালো ছড়িয়ে যেতে চেষ্টা করে এবং অধিকাংশ সময়ই কম্পিউটারের ক্ষতির কারন হয়ে দাড়ায় । অনেক সময় ক্ষতি না করলেও বিরক্তিকর পরিস্থীতির কারন হয় । এটি সবচেয়ে বেশি ছড়ায় যেকোন ধরেনের ফ্ল্যাস ড্রাইভ যেমন: পেন ড্রাইভ, ম্যামোরি কার্ড এবং ইন্টারনেটের মাধ্যমে । আবার পাইরেটেড বা চোরাই সফ্টওয়ার গুলোও কম্পিউটার ভাইরাস এর আখড়া ।

ভাইরাস এর পুর্ণ রুপ:

কম্পিউটার ভাইরাস এর VIRUS শব্দটি আসলে কয়েকটি ইংরেজি শব্দের প্রথম অক্ষর দিয়ে হয় যার পুর্ণ রুপ হল  Vital Information Resource Under Siege ( Software এর ক্ষেত্রে যার বাংলা দাড়ায় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য রিসোর্স অন্য কারো অধীনে। কম্পিউটার ভাইরাসগুলো মাঝে মাঝে পুরো কম্পিউটারের কন্ট্রল নিজের নিয়ন্ত্রনে নিয়ে নেয় ) অথবা  Virtual Information Resource Under Seize  ( Network এর ক্ষেত্রে )।

কম্পিউটার ভাইরাস কিভাবে কাজ করে ?

কম্পিউটারের ভাইরাসগুলো আসলে প্রোগ্রাম বা লিখিত নির্দেশনা যা বিভিন্ন কম্পিউটারে ইন্সটল হয়ে কখনও পুরো কম্পিউটারের এক্সেস নিজের অধিনে নিয়ে নেয়। আবার কখনও এটি নিরবে রয়ে যায় আপনার মেশিনে এবং অপেক্ষা করে গুরুত্বপুর্ন তথ্য যেমন ব্যাংক একাউন্ট, পাসওয়ার্ড কিংবা অনলাইলনের কোন প্রফাইলের তথ্য চুরি করার জন্য । অনেক সময় আপনার ওয়েব ব্রাউজারেও থেকে যায় কিছু ভাইরাছ, অনেক সময় বলা হয় ম্যালওয়ার ( Malware যা Malicious Software এর সংক্ষিপ্ত রুপ ), যা আপনার গুরুত্বপুর্ন ওয়েব তথ্যগুলো চুরি করে কিংবা আপনার গতিবিধি পর্যবেক্ষন করে।

কিভাবে ভাইরাস মারবো ?

মোটামুটি ধারোনা পেয়ে গেছি আমরা ভাইরাস কি এবং এটি কি ধরনের ক্ষতি করতে পারে । এবার আলোচনা করা যাক কিভাবে ভাইরাস থেকে রক্ষা পাওয়া যায় । কথায় বলে প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধই উত্তম । কম্পিউটারের ভাইরাস এর ক্ষেত্রেও তাই :) ভাইরাস মারার চেয়ে কম্পিউটারে ধরতে না দেয়ার ব্যবস্থা করাটাই বেশি জরুরী ।
ভাইরাস প্রতিরোধ করার জন্য আপনার মেশিনে আগে থেকেই এন্টিভাইরাস ইন্সটল দিয়ে রাখুন। হতে পারে সেটি পেইড কিংবা ফ্রি । Paid Antivirus গুলো নিজে থেকেই অনেক ধরনের প্রতিরোধ গোড়ে তোলে ভাইরাস এর বিরুদ্ধে । তবে ফ্রি গুলো ব্যবহার করলে নিজেকেও একটু সতর্ক থাকতে হয় ।  অপরিচিত USB stick বা Memory Card PC তে লাগালে আগে Anti-virus দিয়ে Scan করে নিন । যেই সেই প্রোগ্রাম মেশিনে ইন্সটল করা থেকে বিরত থাকুন । পাইরেটেড বা চোরাই সফ্টওয়ার ব্যবহার করা থেকে বিরক্ত থাকুন । আর অন্তত ১৫দিনের মাথায় একবার করে আপনার ভাইরাস গার্ডকে আপডেট করুন ।
আর যদি দেখেন ভাইরাস ধরেই গেছে আপনার কম্পিউটারে তাহলে তাকে তাড়াতে বেশ কিছুটা বেগ পোহাতে হবে । এক্ষেত্রে পেইড এন্টিভাইরাসগুলো অনেকটা ভরসা । কোন পেইড এন্টিভাইরাস আপনার মেশিনে ইন্সটল দিয়ে সেটি দিয়ে স্ক্যান করুন আপনার কম্পিউটার । অনেক সময় ভাইরাচ ইন্সটল থাকলে কোন এন্টিভাইরাসকেই আর ইন্সটল করতে দেয়না । সেক্ষেত্রে আপনার কম্পিউটারে অপারেটিং সিস্টেম (বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তা উইন্ডোজ ) দিতে হতে পারে ।